Skip to main content

Posts

ধর্মীয় বৈষম্য

  ✔ হিটলার, একজন অমুসলিম । ৬০ লক্ষ ইহুদি হত্যা করেছিলো। মিডিয়া একবারও তাকে জঙ্গি বলেনি সে খৃষ্টান টেররিস্ট !!! ✔ জোসেফ স্ট্যালিন, একজন অমুসলিম । সে ২০ মিলিয়ন মানুষ হত্যা করেছে, এবং ১৪. ৫ মিলিয়ন মানুষ অসুস্থ হয়ে ধুকে ধুকে মারা গেছে। মিডিয়া একবারও তাকে বলেনি সে খৃষ্টান টেররিস্ট !!! ✔ মাও সেতুং একজন অমুসলিম। ১৪ থেকে ২০ মিলিয়ন মানুষ হত্যা করেছে ! মিডিয়া একবারও তাকে বলেনি সে বৌদ্ধ টেররিস্ট !!! ✔ মুসোলিনী (ইটালী) ৪ লাখ মানুষ হত্যা করেছে ! সে কি মুসলিম ছিল ? অন্ধ মিডিয়া একবারো বলে নাই খৃষ্টান টেররিস্ট !!! ✔ অশোকা (কালিঙ্গা বেটল) ১ লাখ মানুষ হত্যা করেছে ! মিডিয়া একবারও তাকে বলেনি সে হিন্দু টেররিস্ট !!! ✔ আর জজ বুশ ইরাকে, আফগানিস্থানে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন মানুষ হত্যা করেছে ! মিডিয়া তো বলে নাই, খৃষ্টান টেররিস্ট !!! ✔ এখনো মায়ানমারে প্রতিদিন মুসলিম রোহিঙ্গাদের খুন, ধর্ষণ, লুটপাট, উচ্ছেদ করছে ! তবুও কোনো মিডিয়া বলে না বৌদ্ধরা টেরোরিস্ট !!! ✒ ইতিহাস সাক্ষী পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে বড় বড় গনহত্যা করেছে নন মুসলিমরা আর এরাই দিন রাত গণতন্ত্র জপে মুখে ফেনা তুলে ! অথচ এদের দ্বারাই মানবতা লুন্ঠ...

ভালো ছাত্র, জিনিয়াস—এই মনগড়া ভ্রান্ত ধারণা মাত

   এখনো কেন প্রচলিত আছে, তা আমি জানি না। আমি ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজে ক্লাসের দ্বিতীয় শেষ ছাত্র ছিলাম। ক্লাস এইট থেকে নাইন ওঠার সময় অঙ্কে ১০০-তে ১২, বিজ্ঞানে ১৭, আর ইংরেজিতে ২৩ পেয়েছিলাম। আমার পরে যে ছেলে ছিল, সে পরীক্ষাই দিতে পারেনি অসুস্থতার কারণে। নইলে আমিই শেষ হতাম। ক্যাডেট কলেজে খারাপ রেজাল্টের যে কী পরিমাণ অপমান, তা ভুক্তভোগীই জানে। আমার কারণে পুরো হাউসের সামগ্রিক ফল খারাপ হলো। সিনিয়ররা মারধর করল, বন্ধুরা তিরস্কার করল, আর কলেজ কর্তৃপক্ষ অপমানের চূড়ান্ত করল—বাইরে না বের করলেও আমাকে সায়েন্স গ্রুপ থেকে বাদ দিয়ে আর্টস গ্রুপে জোর করে দিয়ে দিল। বাবা বলছেন, সায়েন্স নিয়ে পড়তে। আমিও চাই। কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিল—সায়েন্স আমার যোগ্যতা নয়। অপমান, প্রত্যাখ্যান, এবং নিঃসঙ্গতার ভারে পিষ্ট হয়ে ১৪ বছরের এক কিশোর গিয়ে দাঁড়াল ভাইস প্রিন্সিপালের অফিসে। কাঁদলাম, হাত-পা ধরলাম। কিন্তু তাতে লাভ হলো না। অনেক অনুরোধের পর লিখিত মুচলেকা দিয়ে প্রতিশ্রুতি দিলাম—যদি সায়েন্স পড়তে দিত, তাহলে এসএসসি ও এইচএসসিতে অন্তত ফার্স্ট ডিভিশন নিশ্চিত করব। এরপরও অপমান আর টিটকারি চলতেই থাকল। কত দিন যে বাথরুমে, ছ...

নারিকেলের স্বাস্থ্যকর কিছু গুনাগুন।

নারিকেল  আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি শুধু সুস্বাদু খাবার হিসেবেই নয়, পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ। প্রাচীনকাল থেকে এটি খাদ্য, স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্যচর্চায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। নারিকেলের পানি, শাঁস, দুধ ও তেল—সবকিছুই  স্বাস্থ্যের  জন্য উপকারী। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নারিকেল নানা রকমভাবে ব্যবহৃত হয়—নারিকেল পানি, নারিকেলের দুধ, নারিকেল তেল, শুকনো নারিকেল ইত্যাদি। এটি শুধু খাবারেই নয়, রূপচর্চা ও চিকিৎসাতেও বহুল ব্যবহৃত একটি উপাদান। আসুন জেনে নিই  নারিকেলের  ১০টি অসাধারণ গুণাগুণ। নারিকেলের অসাধারণ ১০টি গুণ Coconut 

রোজাদারদের খাবার কেমন হওয়া উচিত

লবঙ্গ (Clove) এর উপকারিতা অপকারিতা

  

যৌবন ধরে রাখতে যে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত

  যৌবন ধরে রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। এ পদক্ষেপগুলি স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা, সঠিক পুষ্টি, মানসিক সুস্থতা, এবং সঠিক যত্নের মাধ্যমে অর্জন করা যায়। এখানে যৌবন ধরে রাখার কিছু উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলো:   স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা: সুস্থ ও তরুণ থাকার প্রধান উপায় হল স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা অনুসরণ করা। নিয়মিত ব্যায়াম শরীরকে ফিট রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং ক্যালরি পোড়ে। এছাড়া, যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন মানসিক চাপ কমাতে এবং মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে। সঠিক পুষ্টি: যৌবন ধরে রাখতে খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করা, যেমন সবুজ শাকসবজি, ফল, বাদাম, এবং প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্য খাওয়া প্রয়োজন। প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং চিনি এড়িয়ে চলা উচিত। এছাড়া পর্যাপ্ত পানি পান করা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে এবং ত্বককে উজ্জ্বল ও সজীব রাখে। পর্যাপ্ত ঘুম: পর্যাপ্ত ঘুম শরীর ও মনের পুনরুজ্জীবন করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ৭-৮ ঘন্টা ঘুমালে শরীরের কোষগুলো পুনরায় জাগ্রত হয় এবং ত্বক সুন্দর থাকে। অনিদ্রা বা অপর্যাপ্ত ঘ...

ত্বকের কালো দাগ দূর করার উপায়

  ত্বকের কালো দাগ দূর করার সহজ ও কার্যকর উপায় Pimple  ত্বকের কালো দাগ অনেকের জন্যই চিন্তার কারণ হতে পারে। ব্রণ, সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি, হরমোনজনিত পরিবর্তন, বা ত্বকের আঘাতের কারণে এসব দাগ দেখা দিতে পারে। তবে কিছু কার্যকর ঘরোয়া উপায় ও চিকিৎসার মাধ্যমে  ত্বকের কালো দাগ দূর করা সম্ভব। চলুন দেখে নেওয়া যাক কিছু উপকারী উপায়— ১. লেবুর রস ও মধু ব্যবহার করুন লেবুর রসে থাকা প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান ত্বকের দাগ হালকা করতে সাহায্য করে। লেবুর রসের সঙ্গে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে দাগের উপর লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। তবে সংবেদনশীল ত্বকে লেবুর রস সরাসরি ব্যবহার না করাই ভালো। ২. অ্যালোভেরা জেলের ব্যবহার অ্যালোভেরা ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান ত্বকের দাগ হালকা করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে ত্বকে তাজা অ্যালোভেরা জেল লাগান এবং সকালে ধুয়ে ফেলুন। ৩. কাঁচা হলুদের প্যাক ব্যবহার করুন Tarmaric powder  হলুদে থাকা কিউমারিন যৌগ ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে এবং দাগ হালকা করতে সাহায্য করে। এক চা-চামচ কা...